বন্ধ হচ্ছে মেটার ক্রাউডট্যাঙ্গল
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পোস্ট সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে মেটা ‘ক্রাউডট্যাঙ্গল’ টুল ব্যবহার করেন অনেকেই। তবে মেটা এই টুলটি বন্ধ করে দেয়ার পরিকল্পনা করেছে বলে জানা গেছে। খবর দ্য ভার্জ।
গবেষক, সাংবাদিক, প্রকাশক, ফ্যাক্ট-চেকারসহ ডেটা ট্র্যাকিং নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় এই টুল। ভাইরাল হওয়া পোস্ট থেকে শুরু করে ভুয়া তথ্যের প্রচার অনুসরণ করতে এটি ব্যবহার করা হয়। তবে এই টুল থেকে প্রাপ্ত তথ্য কার সাথে শেয়ার করা যাবে বা কতোটুকু শেয়ার করা যাবে সেটি নিয়ে নানা মতভেদ রয়েছে।
খবরে বলা হয়, টুলটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে মেটা। ইতোমধ্যে টুলটির পেছনের ডেভেলপমেন্ট টিমকে সরিয়ে ফেলেছে মেটা।
গত বছরের জুলাই মাসে নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে লেখক ও কলামিস্ট কেভিন রুস বলেছিলেন, ক্রাউডট্যাঙ্গল থেকে পাওয়া তথ্য নিয়ে মেটায় ‘অভ্যন্তরীণ ডেটা যুদ্ধ’ চলছে। ডেটা ট্র্যাকিং টুলটি থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্তের মধ্যে কোনগুলো জনসাধারণ বা গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে, সে প্রশ্নে মেটার শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যেই মতবিভেদ আছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।
ক্রাউডট্যাঙ্গলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ব্র্যান্ডন সিলভারম্যান এ ক্ষেত্রে ডেটা শেয়ারের পক্ষেই ছিলেন বলে জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ভার্জ। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে মেটা ছাড়েন সিলভারম্যান।
ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে ডেটা সংগ্রহ করে না ক্রাউডট্যাঙ্গল। বরং পুরো প্ল্যাটফর্ম থেকে নির্দিষ্ট কোনো বিষয় নিয়ে প্রচারিত পোস্টগুলোর লাইক, শেয়ার, ভিউ, কমেন্ট এবং রিঅ্যাকশনের তথ্য সংগ্রহ করে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ফেসবুক ক্রাউডট্যাঙ্গল কিনেছিল। ডেটা ট্র্যাকিং টুলটি কেনার সময়ে কোম্পানিটি বলেছিল, এই টুলটি ‘যে গল্পগুলো আসলেই গুরুত্বপূর্ণ, সেগুলো সবার সামনে নিয়ে আসতে, পাঠক ও দর্শকদের প্রতিক্রিয়া পরিমাপ করতে এবং আসল ইনফ্লুয়েন্সারদের চিহ্নিত করতে’ প্রকাশকদের সহযোগিতা করবে।
ডিবিটেক/বিএমটি